শ্রীলঙ্কায় তামিল বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দেশটির প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে শ্রীলঙ্কার সরকার বলেছে, মার্কিন আদালতের ওই সমনে সাড়া দিতে তারা বাধ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেন্দ্রীয় আদালতের পাঠানো সমনটি প্রথমে প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষের কলম্বোর বাসভবনে পৌঁছায়। কিন্তু প্রেসিডেন্টের বাসভবন সেটি গ্রহণ করেনি। পরে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় সমন গ্রহণ করে।
শ্রীলঙ্কার বিচার মন্ত্রণালয়ের সচিব সুহাদা গামলাথ গতকাল রোববার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক দায়মুক্তি রয়েছে। এ ধরনের সমনের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে আমাদের আইনি অবস্থান ইতিমধ্যে মার্কিন আদালতকে লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
সানডে টাইমস-এর এক খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষে চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস সফর করেন। তখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার তামিলদের স্বজনেরা তিনটি মামলা করেন। পরে সে মামলা ডিস্টিক্ট অব কলাম্বিয়ার জেলা আদালতে স্থানান্তর করা হয়।
মামলার আরজিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কায় তামিল টাইগার বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান চলাকালে রাগিহর মনোহরণ নামের এক ছাত্র, প্রেমাস আনন্দরাজাহ নামের ত্রাণকর্মী ও টি থাভারাজাসহ তিনজনকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। তাঁদের স্বজনেরা মামলার আরজিতে যুক্তরাষ্ট্রের টর্চার ভিকটিমস প্রটেকশন অ্যাক্ট অনুযায়ী তিন কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। শ্রীলঙ্কার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টকেই এ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
ডেইলি মিরর পত্রিকা জানায়, ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে রাগিহরসহ পাঁচ ছাত্রকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া ওই বছরেরই জুনে অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গারের ১৭ কর্মীকে হত্যা করা হয়। তাঁদের একজন ছিলেন প্রেমাস আনন্দরাজাহ।
কয়েক দশকের লড়াই শেষে ২০০৯ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কায় তামিল টাইগার বিদ্রোহীদের পরাস্ত করে দেশটির সেনারা। এ লড়াইয়ের শেষ দিকে সেনারা গণহত্যা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে শ্রীলঙ্কা।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেনারা হাজার হাজার বেসামরিক তামিলকে হত্যা করেছে, এমন ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ’ রয়েছে। বিদ্রোহীরাও মানবতাবিরোধী অপরাধ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্তে শ্রীলঙ্কার ওপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তবে দেশটির সরকার বলছে, তাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের চ্যানেল-ফোর টেলিভিশনে গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধকালীন বিচারবহির্ভূত গণহত্যার একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করেছে। কিলিং ফিল্ড নামের এক ঘণ্টার ওই প্রামাণ্যচিত্রে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের অনেক ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়। এএফপি, বিবিসি
যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেন্দ্রীয় আদালতের পাঠানো সমনটি প্রথমে প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষের কলম্বোর বাসভবনে পৌঁছায়। কিন্তু প্রেসিডেন্টের বাসভবন সেটি গ্রহণ করেনি। পরে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় সমন গ্রহণ করে।
শ্রীলঙ্কার বিচার মন্ত্রণালয়ের সচিব সুহাদা গামলাথ গতকাল রোববার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক দায়মুক্তি রয়েছে। এ ধরনের সমনের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে আমাদের আইনি অবস্থান ইতিমধ্যে মার্কিন আদালতকে লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
সানডে টাইমস-এর এক খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষে চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস সফর করেন। তখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার তামিলদের স্বজনেরা তিনটি মামলা করেন। পরে সে মামলা ডিস্টিক্ট অব কলাম্বিয়ার জেলা আদালতে স্থানান্তর করা হয়।
মামলার আরজিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কায় তামিল টাইগার বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান চলাকালে রাগিহর মনোহরণ নামের এক ছাত্র, প্রেমাস আনন্দরাজাহ নামের ত্রাণকর্মী ও টি থাভারাজাসহ তিনজনকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। তাঁদের স্বজনেরা মামলার আরজিতে যুক্তরাষ্ট্রের টর্চার ভিকটিমস প্রটেকশন অ্যাক্ট অনুযায়ী তিন কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। শ্রীলঙ্কার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টকেই এ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
ডেইলি মিরর পত্রিকা জানায়, ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে রাগিহরসহ পাঁচ ছাত্রকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া ওই বছরেরই জুনে অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গারের ১৭ কর্মীকে হত্যা করা হয়। তাঁদের একজন ছিলেন প্রেমাস আনন্দরাজাহ।
কয়েক দশকের লড়াই শেষে ২০০৯ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কায় তামিল টাইগার বিদ্রোহীদের পরাস্ত করে দেশটির সেনারা। এ লড়াইয়ের শেষ দিকে সেনারা গণহত্যা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছে শ্রীলঙ্কা।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেনারা হাজার হাজার বেসামরিক তামিলকে হত্যা করেছে, এমন ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ’ রয়েছে। বিদ্রোহীরাও মানবতাবিরোধী অপরাধ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্তে শ্রীলঙ্কার ওপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তবে দেশটির সরকার বলছে, তাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের চ্যানেল-ফোর টেলিভিশনে গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধকালীন বিচারবহির্ভূত গণহত্যার একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করেছে। কিলিং ফিল্ড নামের এক ঘণ্টার ওই প্রামাণ্যচিত্রে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের অনেক ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়। এএফপি, বিবিসি
No comments:
Post a Comment